html

Showing posts with label মোনালি রায়. Show all posts
Showing posts with label মোনালি রায়. Show all posts

Thursday, November 15, 2018

Monali Roy

ABSOLUTE ZERO OR INFINITY

Monali Roy



Words target the darkness,  a river, a moon or words are deliirium of a creature....within undefined, unidentified dimensions beside set length, bredth, height or time....



1) Wait Of Dance


Within multiple dimensions of existence 
Within birthless deathless penetrative waves
Prints are confined in time and space

Finite prints behold infinite fire

The pleasures, protection, orderliness may dissolve 
In repeared dance of ecstasy  
....
In search of knowledge, equanimity and peace

The wait begins



2) The Begining


The first sin was commited by the first zero

Zero with no gender
Zero with ultimate energy

The first sin was its consciousness 
Filled with extreme joy and tremendous pain simultaneousljy!

Joy, as it was becoming many
Pain, as it was losing itself

The scream of this painful joy broke overwhelming silence 
For thr first time!

And, there's no way of immediate return

Sins are willing to pay more and more consciousness 
Pain waves more and more in name of joy

Silence lost beyond other time zone
Where another zero is sleeping 



3) Hypothesis Of Greed


As theories are telling me
I think accordingly

Day before yesterday I was soul
Yesterday I was mind and brain
Today I'm flesh

New theories wipe out old one
I learn to think accordingly 

Everything is slave of rules!

Oh! No headache is needed, calculating 
How finely life is manifested or balanced around

Rather  elements get burnt of greed
Greed of more, greed of profit

Ah! Yes, sometimes
Profit is the last word of my universe   


[ Wood cut print : Olivier Deprez.... Copyright is strictly reserved to the artist. ]

Saturday, July 28, 2018

মোনালি রায়

কমলা সোন্দরির অক্সিজেন কোশেন্ট

মোনালি রায়



ইদানীং শহর হইতে শহরে ঘুরন্ত চরকির মত ঘুরিতে ঘুরিতে রাস্তাঘাটে এক নব্য ট্রেন্ড লক্ষ্য করিতেছি।

অটো, বাস, ট্যাক্সি, অন্যান্য যাবতীয় সুসজ্জিত ও সজ্জাবিহীন কার এবং আরোহীগণ  মহাকাজে যাইবার উদ্দেশ্যে মহাব্যস্ত হইয়া মহাতাড়ায় রাস্তায় নির্গত হইতেছেন। ট্রাফিক সিগন্যাল বা অন্য কারণে অল্প বিলম্ব হইলেও একে অন্যের প্রতি অগ্নিদৃষ্টি ও সহনীয় ডেসিবেলের উর্দ্ধে  কথ্য/অকথ্য ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় অভিধান সিদ্ধ ও নিষিদ্ধ গালি গালাজ তারস্বরে বর্ষণ করিয়া নিজ নিজ রাস্তা মাপিয়া লইতেছেন। আমাদিগের মতন তৃণভোজী প্রাণীগণের কর্ণকুহরে তাহা কাংস্য বা বংশধ্বনি হইয়া গুঞ্জরিত হইতে থাকিতেছে সফেন সনীল সাগররেখা নির্দেশকারী তরঙ্গের মতন। কাজ অকাজের ফাঁকেফোকরে গালে হাত, কাপে চুমু দিইতে দিইতে ভাবিয়া কুলহারা কিনারাছাড়া হইয়া পড়ি, শহরগুলির হইল কী!

শহুরে ফুসফুস, কিডনি,  মস্তিষ্ক, হৃদয় ও অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ব্যামোর গোড়া খুঁজিতে তদন্তে নামিয়া বুঝিলাম রোগের মূল কারণ হইল অক্সিজেন ডেফিসিয়েন্সি তথা কারবন মনো/ডাইয়ের সাফিসিয়েন্ট বাড়বাড়ন্ত। ফলতঃ রক্তকোষ ঝিমাইয়া পড়িতেছে, ইমিউন সিস্টেমে ভুতেরা নৃত্য করিয়া আরবান হেলথের হিসাব কিতাব তছনছ করিতেছে। ভূখন্ডের পর ভূখন্ড উন্নত অগ্নিতে, পুরিষে, লু'তে, পলিথিনে,মেটাল-সিলিকনে  এমন ভরিয়া উঠিতেছে যে তৃণভূকদের সাধ অবাধ্য জঙ্গলে পলায়ন করিতে চায়--

যেখানে ন্যাসেন্ট অক্সিজেন, ভিজিবল আলো, ট্রোপোস্ফিয়ার বাহিত বেদম বাতাস, ভার্জিন ভূমি, ডিসেন্ট-মেমোরিসম্পন্ন জলের বাঁধন দেহকে পুনরুজ্জীবিত করিবে। অঙ্গ প্রত্যঙ্গ পুরুষ্ট হইয়া উঠিবে, যন্ত্রপাতি সচল হইলে জীবনরূপ কর্মশালায় নতুন কর্মোদ্যম শুরু হইতে পারিবে। মনুষ্য শরীর আর যাহাই হউক ইঁট, পীচ, কংক্রিট, সুড়কির দ্বারা গড়িয়া উঠে নাই।

ফ্ল্যাটে, কোঠিতে প্রেগন্যান্ট মহিলামহল যে ভাবে ফয়েলড ভাইটামিন্স, স্টোরেজড মাল্টি সাপ্লিমেন্টস উদরস্থ করিয়া অথ মৃতের সন্তানদিগের জন্ম দিইতেছেন তাহাদের রোমগুলি 'ঐতরেয় উপনিষদ'কথিত জঙ্গল নহে সিন্থেটিক ইলাস্ট্রেটেড প্লাস্টিকের দ্যোতক।

আরবানাইজেশন যেমন যেমন সবুজকে গিলিয়া চিবাইয়া হজম করিতেছে, দুপেয়ে জংলীরা  যেমন যেমন শহুরে সভ্য হইয়া উঠিবার প্রয়াস করিতেছে, আমলা হরিতকীর বিকল্পে  ধোঁয়া পেট্রল হজম করিতে করিতে তেমনই দিশাহীন, অসহিষ্ণু, অমানবিক, সন্দেহপ্রবণ, কুচুটে হিংসুক কিংশুক হইয়া পড়িতেছে। হিংস্রতা ঢাকিতে তাহারা গোপন ছুরিকা পকেটে, ভ্যানিটিব্যাগেতে লইয়া মৎস্যবিমুখ অহিংস তপস্বী / তপস্বিনী সাজিয়া থাকে এবং যেকোন প্র বা অপ্ররোচনায় সেই সাজ খসিয়া পড়ে। কারণ অকারণের ছুরিকাঘাতে কত প্রাণ বেঘোর.....

অথচ সিমলিপাল, বরাইবুরু, আমঝরিয়া সপাট গিলিয়া শহর কলেবরে বাড়িতে জানে। সাথে রিডিয়ুজ, রিসাইকেল, রিইউজের এবিসি শিখিবার প্রচেষ্টা করে কিন্তু অক্সাইড টু অক্সিজেন রিওয়াইন্ডটুকু শিখিতে চাহে না!

এইরূপ ভয়াবহ ইমব্যালেন্স ব্যালেন্সে আনিবার জন্য হয়ত সবুজ সংক্রমণ সুদূর বা অদূর কোনও দিনে কংক্রিটকে এনক্রোচ করিতে চাহিবে। ইভ-আদম রিলেটেড অথবা মনুষ্যনির্মিত অন্যান্য সিস্টেমেটিক মানসিক/শারীরিক সম্পর্ক বিলুপ্ত হইতে পারে, মানুষ জাতির-ই অবলুপ্তি ঘটিতে পারে কিন্তু বৃষ্টি ও ঘাসবীজের জমাট বুনট ছিন্ন হইবে না। পতিত শহরের পরিত্যক্ত ঘোলা জলে, মেটাল-প্লাস্টিক স্ক্র‍্যাপের ঝাপসা রিফ্লেক্টরে  রৌদ্র ও মেঘ, সবুজ ও সেপিয়া হাত ধরিয়া, সোহাগভরিয়া হয়ত বা  কোনও নোয়া / নচিকেতার অপেক্ষা করিবে --

Saturday, April 28, 2018

মোনালি রায়

: যম না :

 মোনালি রায়


কাম না

তুই ছুটছিস, সাকেত থেকে সিরি ফোর্ট, নাংলোই থেকে নয়ডা
কিচ্ছু ছাড়ছিস না
মিনার, বাহার, সৌধ, সমাধি, নামাজ, আজান, চালিসা, চতুর্বিশা
গিলে ফেলছিস মেট্রো ওলা শেয়ারড সিটি ম্যাপ
তোকে গিলে ফেলছে অ্যান্টিবায়োটিক সাপ
এ মুখে গিলে ওমুখে আঁচিয়ে আবার গেলা
তোরা বাংলায় চলমান ৪ হয়ে এই ওগরানোর খেলা খেলেই চলেছিস
আর উন্মত্ত অশান্ত পরিত্যক্ত কামজল ভিজিয়ে দিচ্ছে গোটা শহর


না দিল

তুই এ শহরে থাকিস না। এখানকার হালহকিকত  জানিস না।
এখানে অর্ধ নরমুন্ড কয়েক'শ অ্যান্টেনা আর হেডফোন বসে থাকে।
টুটা ফুটা হাত, আধলা পায়ে গাদা গাদা পেরিস্কোপ, ফাঁপা টায়ার
বাকি যন্ত্র অদলে বদলে কৌন হম কৌন তুম
কার ঘাড়ে কে
অত জটিলতায় যাস না।

এ শহর বুক চিতিয়ে, জান লড়িয়ে জুঁই চিবুচ্ছে এখন তোর জন্য।



মেঘ না

স্ট্রিট ল্যাম্পের হলুদ ত্যারছা আলো মিইয়ে পড়া চাঁদকে তাড়িয়ে দিয়েছে স্কাই স্ক্র‍্যাপারের ওই পারে। জোনাকি লেহেঙ্গা সি থ্রু শিফন। কফিশপ, পাব, ডান্সবার ডিজাইনার আকাশ জুড়ে তারাদের মুড অকেশন বুঝে গোলাপি, বেগুনি, সবুজ, হাল্কা নীল। অনেক অনেক চাঁদ স্বেচ্ছায় রাতের রাস্তায় নেমে গড়াগড়ি খায়, মরে। জানি তোর রোমকূপে তাক লেগে যায়! যত বড় মেট্রো, তত বড় ঘোমটা..... সঙ্গম বা পুজোপাঠ যাই চাস, জুতো-জামা না খুলেই ট্রাভেল স্যাক সমেত ঢুকে যেতে পারিস


না লগি

জঙ্গলগুলোর স্কেচ নিতে ভুলিস না। সযত্ন অন্তর্বাস ঢাকা...  বাবলার ঝোপ আরাবল্লীর আগে হাফ স্লিভস, ফুল স্লিভস না-খোলা রাফ। বাকি হাত পা গলা পীচ, গন্ধা দিমাগ, দিল  বেমালুম আঙুল.... চেটে নিস। রেণুহীন, ধূলোহীন। তোর শরীরে মেখে যাবে যমুনার বর্জ্য, গরম তরল লাভা। খুশি? বাঃ। ফির সে আ না।  দেওয়াল ভেঙে জল গম্বুজ, বিজ্ঞাপন আড়ালে ফাঁকিহীন পরিত্যক্ত গাছেদের দেখতে.... সার সার লাশেদের ফ্র‍্যাকচারড মাথা ডিঙিয়ে তোদের বেহেস্ত, মেহেফিল



ওড় না

তুই এসে জাপটে জড়িয়ে নিবিড় আরো নীল, আরো লাল গাঢ় করে নিবি। শিরা বৃন্ত উন্মুক্ত উদগ্র হয়ে আছে। হাঁমুখ ফাঁক করে মেট্রো সুড়ঙ্গের সিঁড়ি । এক পা, এক পা চলতে চলতে তোর হাত ধরে পলাশ, শিমূল, চূড়া ছড়িয়ে চলে যাবে বহুদূর .... গাড্ডা বুজিয়ে দেবার কেউ নেই। ফ্ল্যাট স্ক্রিনস, মোবাইল লোশনস, পারফিউমড লেদারের অবশেষ ভয়ঙ্কর সিমিলারিটিতে ঝুলে আছে বাদামী গহ্বর,  ওয়ারলেস অ্যাবস্ট্রাক্ট চুনরি । আত্মা ঘায়েল লিপস্টিকে ইম্পোরটেড দামী নখে। খোসা আঁশ ছাড়িয়ে ছড়িয়ে সব দাগ চুষে নিস



না বাহার

তুই বলেছিলি বলে, এবার এখানে বসন্ত এল না।  অ্যাবসেন্ট পরিযায়ীরাও। তোর নতুন ব্রাশের ব্রিসলস কী ভয়ানক ভাবে মানুষ মানুষ গন্ধের, অথচ তুই চেয়েছিলি নীরস নীরব সিটিস্কেপ। সেজেগুজে পটের বিবি হয়ে দ্যাখ যমুনা-পার রেডি।
তুই ফিরে গেলেই কিচেনে কিচেনে আর্টিফিশিয়াল ফাইবারস, চানঘরে রক্ত রঙের রস ঝরে পড়বে।
তুই যে ছেনালিতে ক্লিন বোল্ড, সেটা দেখনদারি।
তোর কাজ হয়ে গেলেই বোরখায় মুখ ঢেকে, যোনীতে তুলো গুঁজে যমুনা ফিরে যাবে


মোনালি রায়

মহ ইতি কাল

 মোনালি রায়


প্রতি সময়ে আমরা প্রত্যেকে কিছু খুঁজছি, আমাদের জানলাগুলো সরে সরে যাচ্ছে। লেন্সের রেঞ্জ, ফোকাল লেন্থ বদলে বদলে যাচ্ছে। আমরা হাতড়ে মরছি মরীচিকা, অবয়ব, অ্যাবস্ট্রাক্ট আইডিয়া। দেওয়াল শহরের প্রায় সবকটা ছোট বড় সমাধি বুকের হাড় হিম করে বসে থাকে, নিঝুম। উদোম মাঠ, ফুসফুসে যতদূর টেনে নেওয়া যায়, ততদূর আকাশ.... সবাই এক কথা বলে না, বিভেদের গল্প শোনায়। বিজ্ঞানীরা ল্যাবে গিনিপিগে যে ভেদ পায় না, সেই ভেদে মানুষ মারে মানুষ। লোভগুলো শেষরাতের চামচিকির মত ঝুলে থাকে ক্লান্ত লাল দেওয়ালে। মহাকাল দ্বাররক্ষী হতে গিয়ে হাঁপিয়ে মরে। এরকমই কোনও দেওয়ালের পেটের ভেতর মোমবাতি জ্বালিয়ে অপ্রেম খুঁজে মরে প্রেম..... হাজার প্রেমের মোমবাতি এক ফুঁয়ে নিভিয়ে সময় বলে " এরা সেইসব বেয়াক্কেলে প্রশ্নচিহ্ন যাদের কোনও উত্তর কোনও কালে মেলে না।" অপ্রেম ঘাড় উঁচু, উদ্ধত দাঁড়িয়ে..... " যদি প্রেম দিলে না প্রাণে! " মহাকাল তাচ্ছিল্য হেসে এক ফ্রেমে ধরে নেয় অপ্রেম.... " এইগুলি সেইসব উত্তর, যাদের প্রশ্নাবলী অনুচ্চারিত থেকে গেল! "
অন্যদিকে আরশি নগর নারসিবৃন্দে সরগরম। মহলে মহলে শীশ আশ্লেষে জড়িয়ে রাখে নারসিদের দৃষ্টিপথ....." আর একটু বোস, আমার ভেতরে আরো কিছু কথা ছুড়ে দিয়ে যা, মৃদু, বাঁকা হাসি, কটাক্ষহনন।" গলে গিয়ে নারসি বলে, "এক এক দিন জলে যায় রে সত্যি। সেদিনগলোতে তোর মধ্যে পা ডুবিয়ে তোকে দেখতে দেখতে নিজেকে খুঁটিয়ে চেনা যায়। তোর সাথে কথা বলতে বলতে নিজের হাজার গিঁট খুলে যায়। শুধু তোর সাথে ওইটা করা যায় না। আমি আস্ত মায়া আর তুই কেবল ছায়া!"
কাল মুচকি হাসে।
অন্যলোক থেকে আসে পাথর ভাঙা ট্রেনের শব্দ, কয়লার উল্লাস। এখন, এই বর্তমান স্বপ্নে, এই শহর জেগে উঠবে মোবাইল রিংটোনে, এফ এমে, ওলায়। দঙ্গলের পর দঙ্গল ধোঁয়ার পুটুলি হজম করে চারপায়ে চারবাগ পেরিয়ে অফিস যাবে। কাঠে কুড়ুলে লেগে যাবে নিত্যকার সত্য লড়াই।  কুড়ুল আস্ফালন করবে -- "আমাদের ধার আছে আমরা কাটব, মার আছে তাই মারব। তোরা মার খাবি, মরে যাবি, শব্দটি না করে। এটাই নিয়ম।" সমবেত কাঠেদের জ্বলে ওঠাও দেখবে মহাকাল চুপ করে....
" তোরা তোদের রাগ, ঘেন্না, বদরক্তের কোপ আমাদের ঘাড়ে ঝেড়ে নিজেদের ক্ষ্যামা ঘেন্নাপিত্তিতে ঢেকে রাখিস, কাপুরুষ!"
রোষ আর লড়াই থেকে বহুদূরে অন্ধকার। শুনসান নিস্তব্ধতা। সময়ের চোখ বন্ধ। দূরের বা কাছের ল্যাম্পপোস্ট বা চাঁদ বা তারা কাকতালীয়ভাবে একসাথে আলো পাঠানো বন্ধ করেছে। নিজের বুকের শব্দ একটু একটু বড় হচ্ছে বিন্দু থেকে ছোট থেকে বড় ও অতি বড় বৃত্ত হয়ে গোটা ঘর গমগমিয়ে দিচ্ছে। অতি দ্রুতলয় দ্রিমদ্রিম শব্দ। সময় অবাক হল না। ভগবান আসছেন নিজের সাথে মুখোমুখি বসতে।

~ তুমি কে ? ভগবান!

> আমায় চেনোনা! আমি অনন্ত, সবাই আমাকেই বলে অস্তিত্ব। তুমি কে হে?

~ আমি নগন্য, প্রায় শূন্য। আমার নাম মূহুর্ত।


নগন্য থেকে নগন্যতম প্রায় শূন্য মূহুর্তের মালা বুনে চলেছে সুতো, এক কাল থেকে অন্য এক কাল,  এক গ্রহাণুপুঞ্জ থেকে অন্য গ্রহাণুপুঞ্জ। মেঘ, বৃষ্টি, জমি, আগুন, বীজ বুনে চলেছে... প্রাণ থেকে প্রাণের বিবর্তনে মায়াবী রেশমের জাল.... ছাড়িয়ে নিতে গেলে জড়িয়ে যায় প্রত্যঙ্গ, শ্বাস, রক্তকণায়.... জড়িয়ে যাচ্ছে, ভিজে যাচ্ছে, পুড়ে যাচ্ছে মায়ারজ্জু এমনিই... দরদাম তুল্য মেপে মূল্য দেবে এমন কার সাধ্য! বিন্দু বিন্দু জুড়ে জুড়ে কালের অথৈ সমুদ্রে আমরা, কেউ না!

Facebook Comments